Header Ads

Header ADS

DarkWeb ও DeepWeb এর অজানা রহস্য | মিস করবেন না | Deep Web & Dark Web Explained

 DarkWeb DeepWeb এর অজানা রহস্য | মিস করবেন না | Deep Web & Dark Web Explained

 

আর্টিকেল টি আপনি  পড়ছেন বা দেখছেন তার অর্থ হলো এই যে

আপনি ইন্টারনেটের ব্যবহার করেন আজ এই পৃথিবীতে ইন্টারনেট আমাদের কাছে অক্সিজেন এর

মত হয়ে গেছে ।সারাদিন গুগোল ইউটিউব ফেসবুক অনলাইন গেমস এবং কতইনা ওয়েবসাইট প্লাটফর্ম
এবং সব জিনিস গুলি কি আমরা ইন্টারনেটে এক্সপ্লোর করে থাকি। ওয়েট মিনিট সব জিনিস

গুলিকে নয় আপনাদের মধ্যে থেকে অনেকেই হয়তো জানেন না যে যে ইন্টারনেটকে আজ আপনি ব্যবহার
করছেন বা করতে পারবেন ।সেটা সম্পূর্ণ ইন্টারনেটের কেবল মাত্র 4 থেকে 5 শতাংশ অংশ ।

হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন ।আর ইন্টারনেটে এমন বহু জিনিস একজাস্ট করে যার ব্যাপারে আপনি

জানেন না এটা হল ইন্টারনেটের সেই অন্ধকার জগত যেটাকে যে কেউ একসেপ্ট করতে পারবেনা  ।আর

এই অন্ধকার ইন্টারনেটের জগত বহু রহস্য এবং বিপদে পড়ে রয়েছে আর এই জগত কে বলা হয়

ডার্ক ওয়েব । আপনি ডার্ক ওয়েব নামটি হয়তো এর আগেও কোথাও শুনেছেন আর এর ব্যাপারে
সামান্য কিছু আইডিয়া তো আপনার অবশ্যই আছে ।আর হয়তো আপনি কিছু ইউটিউব ভিডিওতে এই ডার্ক
ওয়েবের ব্যাপারে বিভিন্ন গল্প শুনেছেন

স্টার্ট হয়েছিল কোথা থেকে মানে ডার্ক

ওয়েবের জন্ম গুলো কিভাবে এই ব্যাপারে ইনফরমেশন আপনি আজ পর্যন্ত শুনেননি আজ আপনি

এই ভিডিওটির মাধ্যমে জানতে চলেছেন ।এই ভিডিওটি অবশ্যই দেখবেন ইন্টারনেটের জগতে

আমরা তিনটি ভাগে ভাগ করতে পারি প্রথম ইন্টারনেটে  সেই সমস্ত ইনফরমেশন

এবং এগুলি কি আমরা খুব সহজেই গুগল এবং আমাদের ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সহজেই

অ্যাক্সেস করতে পারি যেটাকে পৃথিবীর যেকোন ইউজার ডাইরেক্টলি তার ফোন ল্যাপটপ অ্যাক্সেস

করতে পারে অর্থাৎ পৃথিবীর যে কোন ব্যক্তি গুগলে গিয়ে কোনো একটি বিষয়ের সমস্ত

ইনফরমেশন এবং সেটাকে ডাইরেক্টলি পড়তে পারে যার জন্য তার কোন প্রকারের অ্যাকাউন্ট

পাসওয়ার্ড এর প্রয়োজন হয় না দ্বিতীয়বার ডিপ ওয়েব যেটা কিনা হলো ইন্টারনেটের সবথেকে

ড় অংশ এখানে এমন এমন হয়ে বেঁধে থাকে যেটাকে অ্যাক্সেস করার জন্য আপনার আইডি এবং


পাসওয়ার্ড এর প্রয়োজন হয় আমাদের ইন্টারনেট ইউজারদের পার্সোনাল ইনফরমেশন.


স্টোর করা হয় । যেমন অনলাইন ব্যাংকিং সাইটস মেডিকেল সাইন্স এটসেটরা ।

ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি ডিটেলস সিস্টেমগুলি একটি অংশ সম্পূর্ণভাবে লিগেল আর আপনি এটাকে


ইজিলি আপনার ব্রাউজারের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করতে পারেন যদি আপনার কাছে এরাক্সিস থাকে


তবেই ইন্টারনেট হলো ডার্ক ওয়েব ওয়েব এরই একটি অংশ যদিও এটা ডীপ ওয়েবের 1% অংশ নয়


কিন্তু এখানে বহু জিনিস বলতে গেলে প্রায় সব জিনিসই ইল্লিগ্যাল' ভাবে হয় আর এটাকে আপনি


আপনার নরমাল ওয়েব ব্রাউজার দ্বারা ওপেন করতে পারবেন না তো চলুন এবার আমরা কথা বলিনি


ডার্ক ওয়েবের ইতিহাসের ব্যাপারে একচুয়ালি ডার্ক ওয়েব রিসেন্টলি লোকেদের কাছে পপুলার


হওয়া শুরু হয়েছে কিন্তু তার মানে এই নয় যে এটি আগে এক্সিস্ট করতোনা ডার্ক ওয়েবের


কনসেপ্ট এতটাই পুরনো যতটা এই ইন্টারনেট অর্থাৎ ফাউন্ডেশন তখনই করা হয়েছিল যখন 9609


ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স আর্পানেট কে ডেভলপ করেছিল.


অর্থাৎ এডভান্স সার্চ প্রজেক্ট এজেন্সি


নেটওয়ার্ক নেটওয়ার্ক পড়ে গিয়ে ইন্টারনেটের ব্যাকবোন হয়ে দাঁড়ায় যদিও


আর্পানেট কে দারপে বলা যাবেনা কিন্তু এর কনসেপ্ট ডার্ক ওয়েবের মতোই ছিল লোকেদের


ইনফর্মেশন কে লুকিয়ে রাখা আর এই টেকনোলজির সবথেকে প্রথম অপব্যবহার দেখা গিয়েছিল 93712


যখন ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির কিছু স্টুডেন্ট আর্পানেট এর


সাহায্যে ইউনিভার্সিটি তে অনলাইন মারিজুয়ানাকে সেল করা শুরু করেছিল আর এটাই


ছিল ইন্টারনেট স্ত্রীর প্রথম অনলাইন সেল যাইহোক ইন্টারনেট টেকনোলজি ধীরে ধীরে ডেভেলপ


হওয়া কেবল শুরু হয়েছিল ঠিক তখনই এই ডার্ক ওয়েব ধীরে ধীরে সাইলেন্টলি ডেভলপ হচ্ছিল


নব্বইয়ের দশকে অনলাইন মিউজিক খুবই পপুলার ছিল আর এর সাথে সাথে পপুলার হচ্ছিল এর


ইল্লিগ্যাল' শেয়ারিং এবং ডিস্ট্রিবিউশনে যদিও এগুলি সবই তখনও ইন্টারনেটেই হচ্ছিল


আমরা যে ইন্টারনেটকে অ্যাক্সেস করতে পারি সেখানে এই ইল্লিগ্যাল' কাজগুলি হচ্ছিল ডার্ক


ওয়েব তখনও আলাদাভাবে নিজের অস্তিত্ব পায়নি.


কনসেপ্ট এবং এর জন্ম কখন হল যখন মার্চ 2001


স্কটল্যান্ডের এডিনবরা ইউনিভার্সিটির একটি ছাত্র নিজের গ্রাজুয়েশন প্রজেক্টে ফ্রী নেট


কে তৈরি করেছিল ফ্রীনেট হলো এমন একটি সেনসর্শিপ রেজিস্টেন্স কমিউনিকেশন


প্ল্যাটফর্ম যার মেইন উদ্দেশ্য ছিল ইন্টারনেটে ফ্রিডম অফ স্পিচ কে সাপোর্ট করা


অর্থাৎ যেখানে লোক এরা নিজের পরিচয় দিল না করি খুশিমতো ইন্টারনেটকে অ্যাক্সেস করতে


পারে যাতে না থাকবে কোন গভর্মেন্টের ভয় আর না থাকবে থার্ড পার্টি কোন অরগানাইজেশনের)
ভয় এটাকে বানানোর পেছনে উদ্দেশ্য ছিল তা আমি জানিনা কিন্তু তখন 2000 সালে লোকের এমন


একটি প্ল্যাটফরম কে পেয়ে গেল যেখানে তারা উইদাউট এনি টেনশন ইল্লিগ্যাল' কাজকে করতে


পারে লোকেরা ইল্লিগ্যাল' পর্নোগ্রাফি কন্টাক্ট এবং পাইরেটেড কনটেন্টকে খুশিমতো


শেয়ার করতে শুরু করলো কারণ এখানে কেউ এটা জানতে পারত না যে কন্টেন্টগুলি কে কে আপলোড

করেছিল কিন্তু তাদের কাছে আরও একটি প্রবলেম আসা শুরু হল যে তাদের এই ইনফরমেশন এবং ডাটা


গুলি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে সুরক্ষিত আছে তো ঠিকই কিন্তু রিয়েল.


দেখা হবে কোথায় অর্থাৎ সার্ভার হবে কোথায়


যাদের সার্ভার এর ব্যাপারে নাক নেই তাদেরকে বলি ইন্টারনেটে অবস্থিত জিনিস ফটো ভিডিও


মিউজিক মুভি এক ক্লিকে অ্যাক্সেস করতে পারছেন সেগুলি আসলে সার্ভারে স্টোর থাকে ফর


এক্সাম্পল এই ভিডিওটি এই ভিডিওটি কে আমি আমার কম্পিউটারে তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড


করেছি মানে এই ভিডিওটি গুগলের সর্বশেষ্ঠ রয়েছে সার্ভারে স্টোর হওয়ার পর আপনি এই


ভিডিওটিকে দেখতে পাচ্ছেন গুগোল এটা জানে যে ভিডিওটি তার সার্ভারে প্রহেলিকা নামের


ইউটিউব চ্যানেল আপলোড করেছে এটাই ছিল ডার্ক ওয়েব মিউজিক কাছে একটি প্রবলেম কারণটা

কিছুকেই তারা ইন্টারনেটে আপলোড করেছিল তো ইন্টারনেটের চেনা যাচ্ছিল যে কন্টাক্ট


ইনফর্মেশন টিকে কে আপলোড করছে এতে তো সেই ব্যক্তিকে ইজিলি আইডেন্টিফাই করা যাবে তোর


ডার্ক ওয়েব ইউজারদের এই সমস্যাটাকে দূর করেছিল মাইকেল পেটস যিনি ইউনাইটেড কিংডম এর


কাছে সিল্যান্ড নামের একটি self-declared মাইগ্রেশনের উনার ছিলেন ছিলেন কোন দেশ নয়.


সমুদ্রে অবস্থিত দুটি টাওয়ারের উপর অবস্থিত


একটি প্লাটফর্ম তৈরি বিভিন্ন নামের একটি কোম্পানি প্লাটফর্মের উপর তৈরি করে এদের এই


ধরনের ইল্লিগ্যাল' এবং সেনসিটিভ কনটেন্টকে লুকোতে সাহায্য করতো এই ছিলেন তিনি একটি


সার্ভার তৈরি করেন আর অবিয়াসলি ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে থাকার কারণে সেখানে

কোন দেশের সরকার তার নিয়ম কে ফলো করতে হত না এবার ডার্ক ওয়েব আরো দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে


পড়তে শুরু করল এবং 2002 সালের শুরুতে ডার্ক ওয়েব এমন একটি গিফট পেল জাতারে ডেভলপমেন্ট


কে কয়েক হাজার গুণ আরো বাড়িয়ে দিল হ্যাঁ আমি কথা বলছি টরের অর্থাৎ অনিয়ন রাউটার এটা


হল সেই ব্রাউজার আজ ডার্ক ওয়েবের একটি লাইফলাইন এই ব্রাউজার ডার্কওয়েবে অ্যাক্সেস


করার সবথেকে পপুলার প্ল্যাটফর্ম যেকোনো ইউজার আইডেন্টিটি ক্যারিবিন না করে নিজের


সার্চ হিস্ট্রি এবং লোকেশন কেবিল না করে যে কোন ওয়েবসাইটকে অ্যাক্সেস করতে পারে এর


মধ্যে যা ওয়েবসাইট রয়েছে তার ডোমেইন নেম ডট অনিয়ন হয় অর্থাৎ যেমন নর্মাল.


ব্রাউজারে কোন সাইট ওপেন করলে যেমন তার শেষে


ডট ইন ডট বিডি ডট কম ডট ওআরজি লেখা থাকে ঠিক একই রকম ভাবে যদি আপনি কোন সাইটে সার্চ করেন
তার ডোমেইন নেম ডট অনিয়ন হয় যেমন google.in facebook.in এটসেটরা। আর এই ডোমেইন নেমের

ওয়েবসাইটগুলি কে আপনি আপনার নরমাল ব্রাউজারে ফায়ারফক্স অপেরা এগুলির দ্বারা
ওপেন করতে পারবেন না  ।আপনি কি জানেন যে ডার্ক ওয়েবের এই অবতার কে কে বানিয়েছিল এটা কেউ

ইউএসএ' ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সাইন্টিস্ট বানিয়ে ছিলেন এবং বানানোর এক বছর পর মানে


2002 সালে পাবলিকের জন্য রিলিজ করে দেয় পরের কারণে ডার্ক ওয়েব আরো মাথাচাড়া দিতে


শুরু করলো ওপেনলি এই ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে চলছিল কিন্তু এখনও একটি জিনিসের অভাব ছিল যা


হলো টাকা অর্থাৎ এখানে আপনি মানে ট্রানজাকশন কিভাবে করবেন কারন কোন ধরনের ব্যাংকিং


ওয়েবসাইট আপনাকে আপনার আইডেনটিটি কেবিল না পড়িয়ে টাকা ট্রান্সফার করতে দেবেনা.


2008 সালে  নাকামোতো ইনভেন্ট করেছিলেন


বিটকয়েন যার ফলে ডার্ক ওয়েবের এই লাস্ট প্রবলেম কি সল্ভ হয়ে গেল আপনাকে জানিয়ে


রাখি যে বিটকয়েন হলো এক ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি যে আপনি ভার্চুয়াল মানে


বলতে পারেন অর্থাৎ এর রিয়েল কোন অ্যাসিস্ট্যান্ট নেই যেমন টাকা বা ডলারের


এক্সিস্তেন্স আছে এগুলি নোট কয়েন আছে কিন্তু বিটকয়েনের কোন নোট বা কয়েন নেই আর


বহু দেশে এই কারেন্সি ইল্লিগ্যাল' রয়েছে 2010 এর দিকে এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি এই দুটি


ভয়ানক কম্বিনেশন অনলাইন ব্ল্যাক মার্কেট কে জন্ম দিল আর এমনই একটি ব্ল্যাক মার্কেট এর


নাম ছিল সিল্ক রোড এটাকে ফেব্রুয়ারি 2011 তে উইলিয়াম অফ ব্রইস্ট বানিয়েছিলেন এসিডে


কি কি করা হতো এগুলি জানলে আপনি বুঝতে পারবেন যে তারা আসলে কি জিনিস এখানে অনলাইন


গম্বলিং চাইল্ডপর্নোগ্রাফি' ইলেগাল ড্রাগস হ্যাকিং ফেক লাইসেন্স ফি ক্রেডিট কার্ড


জুয়েলারিজ এবং এক্সপেন্সিভ আইটেম বিক্রি হতো তার সাথে সাথে ব্ল্যাকে বিভিন্ন.


15 এবং বিক্রি হতো আর এটা টেরোরিস্টদের জন্য


ভালো সুবিধা ছিল অক্টোবর 2013 তে এটাকে বন্ধ করতে মানে সিল্করুট কে বন্ধ করতে সক্ষম হয়ে


যায় কিন্তু 2010 থেকে 2013 কেবল মাত্র 13 বছরেই সিল্ক রুটের প্রায় চার কোটি ডলারের

থেকেও বেশি ট্রানজেকশন অলরেডি হয়ে গিয়েছিল আর এই সমস্ত ট্রানজেকশন বিটকয়েনের মাধ্যমে


হয়েছিল এই ঘটনার পর ডার্ক ওয়েব কে জানার জন্য লোকেদের মধ্যে কৌতুহল বাড়তে শুরু করল


এবং বিটকয়েনের মার্কেট ভ্যালু বাড়তে শুরু করল

এবং খারাপ মেন্টালিটির লোকেরা এর

ব্যবহার করতে শুরু করলো আজ ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রকারের

ইললিগ্যাল বিজনেস এবং ক্রাইমস করা হয় ক্রিপ্টোকারেন্সি সাহায্যে মানি লন্ডারিং এর


মাধ্যমে টাকা কালেক্ট করে চলে একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ডার্ক ওয়েবের অপব্যবহারের কারণে


প্রতিদিন পৃথিবীর প্রায় দশ লক্ষ লোক প্রভাবিত হয় । যদি আমরা আমাদের দেশের কথা বলি


তো একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ডার্ক ওয়েবের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশে প্রতি.১০০জনের মধ্যে ৯০ জন ভুক্ত ভুগী হচ্ছে । আজকের আর্টিকেল টি ভালো লাগলে আপনার মন্তব্য কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাবে । এরখম ইনফর মেটিভ তথ্য পেতে আমাদের ওয়েব সাইট টি নিয়মিত ভিসিট করুন ।


No comments

Powered by Blogger.